
স্পোর্টস নিউজ
ম্যাচের দশম মিনিট। মিকেল ওয়ারজাবালের কাছ থেকে ক্রসটা পেয়েই আর দেরি করলেন না লামিনে ইয়ামাল। দারুণ ডাইভে প্রতিপক্ষের গোলকিপার পরাস্ত। পরক্ষণেই উল্লাস, চিরচেনা লাফ, দুই হাত উপরে তুলে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং সবুজ গালিচায় চুমু। বিশ্বকাপে শুরুর একাদশের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে গোল পেয়ে উদযাপনটা ঠিক এভাবেই করেছেন লামিনে ইয়ামাল। ১৮ বছর বয়সী এই তরুণের ফেরার ম্যাচে ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই জয়ের ধারায় ফিরেছে স্পেন। ম্যাচটি তারা জিতেছে ৪-০ গোলে। যার মধ্য ইয়ামালের গোলটি ছাড়াও দুটি গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। অন্য গোলটি উপহার দিয়েছে প্রতিপক্ষ।
অ্যাটলান্টায় ম্যাচের শুরু থেকেই সৌদি আরবকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখে স্পেন। তৃতীয় মিনিটেই কর্নার থেকে প্রথম সুযোগ তৈরি করেন লামিনে ইয়ামাল, যদিও সৌদি রক্ষণ তা সামলে নেয়। এরপর একের পর এক আক্রমণে চাপ বাড়াতে থাকে স্প্যানিশরা।
অবশেষে দশম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। সৌদি ডিফেন্ডার আল আমরির বল হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে স্পেন। বাম দিক থেকে মিকেল ওয়ারজাবালের নিখুঁত ক্রসে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে সহজ ফিনিশে জালে জড়ান লামিনে ইয়ামাল।
গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে স্পেন। ২১ মিনিটে কর্নার থেকে তৈরি হওয়া জটলার মধ্যে সুযোগ বুঝে দ্বিতীয় গোলটি করেন ওয়ারজাবাল। তিন মিনিট পর আবারও আঘাত হানে লা রোজারা। পেদ্রো পোরোর ক্রস, কুকুরেয়ার সেটআপ এবং দানি ওলমোর হেড থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ওয়ারজাবাল। তাতে বড় লিড নিয়ে বিরতিতে যায় স্পেন।
বিরতির পর বেঞ্চের শক্তি যাচাই করতে ইয়ামাল ও ওয়ারজাবালকে তুলে নেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে তাতেও থামেনি স্পেনের আক্রমণ। ৪৯ মিনিটে কর্নার থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে কুকুরেয়ার শট ঠেকালেও পরে সৌদি ডিফেন্ডার তামবাখতির গায়ে লেগে বল জালে ঢুকে যায়। আত্মঘাতী সেই গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।
