
টিআইবি জানায়, বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ৫৯.৪১ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত, যা সর্বোচ্চ। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঋণগ্রস্তের হার ৩২.৭৯ শতাংশ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মধ্যে ২৬.৯৭ শতাংশ ঋণগ্রস্ত।
প্রতিবারের মতো এবারও নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা মাত্রা ৫ শতাংশ পূরণ করতে পারেনি। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি ব্যবসায় জড়িত, আইন ও শিক্ষক পেশার হিসেবে যথাক্রমে ১২.৬১ এবং ১১.৫৬ শতাংশ। রাজনীতিক পেশা হিসেবে মাত্র ১.৫৬ শতাংশ প্রার্থী নিজেকে দেখিয়েছেন।
অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের ভিত্তিতে এবার কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ৮৯১ এবং শত-কোটিপতি ২৭। প্রার্থীদের মধ্যে ৫৩০ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা চলমান, যা মোট প্রার্থীর ২২.৬৬ শতাংশ। অতীতে মামলা ছিল ৭৪০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে, যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
নির্বাচনী খরচের দিকেও নজর দিলে দেখা যায়, সকল দলের প্রার্থীদের ঘোষিত সর্বমোট ব্যয় ৪৬৩.৭ কোটি টাকা। প্রতিজন প্রার্থীর গড় ব্যয় প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকা। সর্বোচ্চ ব্যয় করেছে বিএনপি (১১৯.৫ কোটি) এবং দ্বিতীয় অবস্থানে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (৮০.৬ কোটি)।
টিআইবির প্রতিবেদন অনুসারে, ২৫৯ প্রার্থীর তুলনায় ১১৮ প্রার্থীর স্বামী-স্ত্রী বা নির্ভরশীলের অস্থাবর সম্পদ বেশি, ১১৮ প্রার্থীর তুলনায় দালান বা ফ্ল্যাট বেশি এবং ১৬৪ প্রার্থীর তুলনায় জমির পরিমাণ বেশি।
