কামরুল হোসেন, ঢাকা: ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাজেট-২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শ্রমজীবী ফেডারেশন (বি.এস.এফ) এর উদ্যেগে গতকাল ১২/০৬/২০২৬ইং তারিখ শুক্রবার বিকাল ০৩:০০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব, জহুর হোসেন চৌধুরী হল’এর (২য় তলায়) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি জনাব, সৈয়দ তানভীর আহমেদ রনি’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন জনাব, মহিউদ্দিন আহমেদ জিন্টু, সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি এবং সাবেক সভাপতি সুইডেন বিএনপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব, সাইফুল হক, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রিয় কমিটি – বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জনাব, মহিউদ্দিন আহমদে জিন্টু, সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি, সাবেক সভাপতি- সুইডেন বিএনপি, সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ সভাপতি – ঢাকা মহানগর যুবদল ; জনাব, এস এম মাহফুজুর রহমান বাচ্চু সরকার, সিনিয়র সহ সভাপতি – শরীয়তপুর জেলা বিএনপি ; জনাব, নাজিম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (আম্বার), তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক- শরীয়তপুর জেলা বিএনপি; জনাব, আবদুল্লাহ্ আল মামুন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক – যুবদল-রুপনগর থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর; জনাব, লায়ন মোঃ আব্দুল কাদের জিলানী, সভাপতি- কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ শ্রমজীবী পার্টি (বি.এস.পি.) প্রমুখ।
নেতারা বক্তব্যে বলেন ২০২৪ ইং এর গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ অনেক কিছুর পরিবর্তন দেখেছি কিন্তু যে, গণঅভ্যুত্থানের শ্রমিকের ভুমিকা অপরিসীম অনেক শ্রমিক নিহত হয়েছেন তাদের অবদানের কথা শুধু ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। এই শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও পরিবর্তন আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এই শ্রমিকের শ্রমে ঘামে উপার্জিত অর্থে রাষ্ট্র চলে সেই শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নের কোন পরিবর্তন কেন হবে না তা জাতির কাছে প্রশ্ন? এই শ্রমিকেরা কি শুধু দিয়েই যাবে বিনিময়ে একটু সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার তারা পাবে না।
বাংলাদেশ শ্রমজীবী ফেডারেশন (বি.এস.এফ) সকল শ্রমিককে সাথে নিয়ে শ্রমিকের জীবন মান উন্নয়ন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের, শিক্ষা, নিরাপদ কর্মসংস্থান, ও সম্মানজনক মজুরীর জন্য ঐক্যমত গড়ে তোলার আহ্বান করে, সরকারের কাছে নিম্নক্ত ৬ টি দাবী বাস্তবায়নের দাবী জানাচ্ছি।প্রস্তাবনা ঃ
১। গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন শিল্প সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের নূন্যতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করা।
২। প্রতিটি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক কলোনী নির্মান করা।
৩। শ্রমিক নের্তৃবৃন্দের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে শ্রমিকদের সাথে সম্পৃক্ত নেতৃবৃন্দকে নিম্নতম মজুরী বোর্ডের সদস্য করা।
৪ । গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন শিল্প কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের পরিবারের নামে ফ্যামিলি কার্ড ও ন্যায্য মূল্যের রেশনিং কার্ড দেওয়া।
৫। প্রতিটি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নির্মান করা।
৬। প্রতিটি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের জন্য খেলার মাঠ নির্মান করা।
